পৃষ্ঠাসমূহ

শনিবার, ৪ আগস্ট, ২০১২

Engineer (প্রকৌশলী)

 Engineer (প্রকৌশলী)

ক্যারিয়ার হিসেবে প্রকৌশলের চাহিদা সব সময় একই রকম ছিল এবং আছে। এর মধ্যে প্রকৌশল বিষয়ে যুক্ত হয়েছে আরো নতুন নতুন বিষয়। ক্যারিয়ার হিসেবে আকর্ষনীয় আয়, উজ্জল ভবিষ্যতের কারনে বাবা-মায়েদের কাছে ত বটেই, আজকালকার বহু তরুণ-তরুণীর কাছেই আরাধ্য বিষয়।

কি পড়বেনঃ

 পড়াশোনা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(বুয়েট),
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
মাওলানা ভাষানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
এছাড়া ও এখন প্রায় প্রত্যেক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ও প্রকৌশল বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়া যায়।
ভর্তির যোগ্যতা
উচ্চমাধ্যমিক পাশের পরই ভর্তি হওয়া যাবে।পড়তে পারবে শুধু বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয বিভিন্ন রকম যোগ্যতা চেয়ে থাকে, যার ভিত্তিতে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
ভর্তি পরীক্ষা
উচ্চ মাধ্যমিক পাট্যসুচীর ভিত্তি করে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ণ এবং ইংরেজি বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
চাকরি ক্ষেত্র
প্রকৌশল হিসেবে পাশ করে চাকরি মিলতে পারে টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটার প্রতিষ্ঠান, শক্তি স্থাপনা, বহুজাতিক সংস্থা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, মহাকাশ গবেষনা সংস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, নির্মান প্রতিষ্ঠান এবং বিক্রয বিপনন ক্ষেত্রেও।

Lawyer (আইনজীবী)

 Lawyer (আইনজীবী)

অবজেকশন ইওর অনার! ঘটনার দিন আমার মক্কেল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি তাঁর কর্মস্থল ঢাকায় ছিলেন। আমার মক্কেল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তাঁকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।
আদালতে আইনজীবীর এমন যুক্তিতর্ক আমাদের অনেকেরই জানা। শুনতে ভালো লাগে। অনেকেই চান বড় হয়ে এই পেশায়ই আসবেন। গাউন পরে বিচারকদের সামনে আইনি যুক্তি তুলে ধরবেন।আইন নিয়ে যাঁরা পড়াশোনা করেন, তাঁদের স্বপ্ন থাকে আইনজীবী হওয়ার। বাংলাদেশে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে চাইলে, আইনে স্নাতক ডিগ্রি নেওয়ার পর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নিতে হবে নিবন্ধন। নিবন্ধন না নিয়ে আইনজীবী হিসেবে কাজ করার কোনো সুযোগ পাবেন না আপনি।
শিক্ষানবিশি: একজন আইনের শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা শেষ করে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিবন্ধন নিতে তাঁকে কোনো জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর অধীন ছয় মাস প্রশিক্ষণ (শিক্ষানবিশি) নিতে হবে। আর যাঁর অধীনে কাজ করবেন, তাঁর ন্যূনতম ১০ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে পেশাগত প্রশিক্ষণের এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রও আপনাকে তৈরি করে নিতে হবে। তাই যাঁর সঙ্গে কাজ করবেন, তাঁর সঙ্গে একটি চুক্তিপত্র আপনাকে করে নিতে হবে। তিনি একটি হলফনামা (এফিডেভিট) করে দেবেন আপনাকে। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্ধারিত সনদ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর সঙ্গে চুক্তিপত্র, এফিডেভিটের কপি ও কাউন্সিল অনুকূলে ৪০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফটসহ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর জমা দিতে হবে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর সঙ্গে চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে আবেদনটি বার কাউন্সিলে জমা দিতে হয়। তবে যাঁদের বার-অ্যাট ল বা পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে, তাঁদের ছয় মাসের পেশাগত প্রশিক্ষণ নিতে হবে না। বছরের যেকোনো সময় নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা যাবে।
তালিকাভুক্তি পেতে: নিবন্ধন পেতে যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের আবেদন যাচাই-বাছাই করবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। আপনার আবেদন গৃহীত হলে আবেদনের ৬০ মাসের মধ্যে কাউন্সিল আপনাকে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) কার্ড পাঠাবে। তাতে আপনার নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ থাকবে। ছয় মাস পার হলে বার কাউন্সিল তাঁকে পরবর্তী নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করবে। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিবন্ধন পরীক্ষা বছরে একবার হয়ে থাকে।
নিবন্ধনের ধাপ: পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষ করে যাঁরা নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবেন, তাঁদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় বসতে হবে। যাঁরা লিখিত পরীক্ষায় টিকবেন, তাঁরাই পরবর্তী সময়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

শনিবার, ১০ মার্চ, ২০১২

Pharmacist (ফা র্মা সি স্ট)

Pharmacist (ফা র্মা সি স্ট)

একজন ফার্মাসিস্ট যেমন পারেন ওষুধের যৌক্তিক এবং সঠিক মান নিশ্চিত করতে, তেমনি আমাদের জাতীয় আয় বৃদ্ধিতেও তিনি ভূমিকা রাখতে পারেন। কেননা আমাদের দেশের তৈরি ওষুধ এখন ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। তাই দেশে যেমন এ পেশার চাহিদা রয়েছে তেমনি বিদেশেও রয়েছে উজ্জ্বল সম্ভাবনা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুর রশীদ বলেন, আমাদের দেশের দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন ফার্মাসিস্টদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অতি অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ সুনাম অর্জন করেছে এবং বাংলাদেশের তৈরি জীবন রক্ষাকারী ওষুধ আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রফতানি হচ্ছে।
সুতরাং দেশে তো বটেই বিদেশেও একজন দক্ষ ফার্মাসিস্ট ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। বাংলাদেশের ৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ২০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা এ বিষয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন।
কাজটা কী
ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী ফার্মাসিস্টের কাজের ধরন নির্ধারিত হয়। তবে সার্বিকভাবে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের কাজের সমন্বয় করে ফার্মাসিস্টরা যে কাজগুলো করে থাকেন সেগুলো হল-ওষুধ গবেষণা ও উন্নয়ন, ওষুধের ফর্মুলা তৈরি, ওষুধ উত্পাদন, মান নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বাজারজাতকরণ, টিকা আবিষ্কার এবং প্রতিষেধক উত্পাদন। এর বাইরেও ওষুধের কার্যকরণ সম্পর্কে অবহিত করার লক্ষ্যে ডাক্তারদের নিয়ে বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়াম, আলোচনা সভা ইত্যাদি পরিচালনা, র-ম্যাটেরিয়াল সোর্সিং নিশ্চিতকরণ, উত্পাদন পরবর্তী দাম নির্ধারণ, ওষুধের পরিমাণ নির্ধারণ, ফার্মাসিউটিক্যালস মেশিনারি সম্পর্কে ধারণা অর্জন এবং ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিত করাও ফার্মাসিস্টের কাজ।
কোথায় মিলবে কাজ
ফার্মাসি ডিগ্রিধারীদের প্রধান কর্মক্ষেত্র হচ্ছে ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টর। সেখানে প্রোডাকশন, কোয়ালিটি কন্ট্রোল, মার্কেটিং, প্রোডাক্টস ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে কাজ করার সুযোগ আছে। এ ছাড়া হসপিটাল ফার্মাসিস্ট, ক্লিনিক্যাল ফার্মাসিস্ট, কমিউনিটি ফার্মাসিস্ট হিসেবেও তারা কাজ করতে পারেন। এর বাইরে  বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি রিসার্চ অর্গানাইজেশন, সরকারি ওষুধ পরীক্ষাগার, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরেও রয়েছে কাজের সুযোগ। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার সুযোগ তো রয়েছেই।
বিদেশে ফার্মাসিস্টদের কাজের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত। সেখানে ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিসহ হসপিটাল ফার্মাসিস্টদের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। তাছাড়া রিটেইল ফার্মাসিস্টদেরও চাহিদা রয়েছে যেখানে ফার্মাসিস্টরা ফার্মেসি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং ফার্মাসিউটিক্যাল শপগুলোতে নির্বাহী হিসেবে কাজ করেন।
স্কয়ার হসপিটাল লিমিটেডের ফার্মাসি বিভাগের কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র শীল বলেন, বিফার্ম ডিগ্রিধারীরা সাধারণত পেশাজীবনের শুরুতে ১৫-৩০ হাজার টাকা সন্মানীতে কাজ শুরু করেন। তবে সন্মানীর বিষয়টি কোম্পানির ওপর নির্ভর করে। পরবর্তীকালে অভিজ্ঞতা ও পদোন্নতি হলে লাখ টাকা সন্মানীও অর্জন করা সম্ভব।
পেশায় সফল হতে
মানিক চন্দ্র শীল বলেন, এ বিষয়ে ভালো করতে হলে পড়াশোনার বিকল্প নেই। যারা এ বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন করে এ পেশায় আসতে চায় তাদের যে কোর্স-কারিকুলামগুলো আছে সেগুলো
ভালোমতো অনুসরণ করতে হবে। বিশেষ করে হসপিটাল ফার্মাসিতে কাজ করতে গেলে ফার্মাকোলজি, বায়োফার্মাসিটিক্স,
ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি, মাইক্রোবায়োলজি প্রভৃতি বিষয় খুব ভালো করে জানতে হবে। এছাড়া ফিজিওলজি অ্যানাটমি বিষয়েও জানতে হবে। কারণ একটি বিষয় আরেকটি বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এছাড়াও বিষয়ভিত্তিক স্বচ্ছ ধারণা, সেবা ও গবেষণার মন-মানসিকতা, গবেষণার ধৈর্য, অনুসন্ধিত্সু মন, নতুন নতুন ওষুধ আবিষ্কার ও অনুমোদন সম্পর্কে আপডেট তথ্য এবং বিশ্বের বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির গবেষকদের সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ রাখতে পারাটাই এ পেশায় সাফল্যের মূলমন্ত্র।
source: http://goo.gl/RkEaU